Total Care BD

Best Caring Website of Bangladesh

৩৭ তম বিসিএস এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য নিশ্চিত ৬০ নম্বরের সাজেশন-প্রথম পর্ব

শেয়ার করুন

৩৭ তম বিসিএস এর সাজেশন নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে।৩৭ তম বিসিএস এর সাজেশন এর এই পর্যায়ে থাকছে ৩৭ তম বিসিএস এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য নিশ্চিত ৬০ নম্বরের সাজেশন। ৩৭ তম বিসিএস এর সাজেশন নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক পর্ব চলতেই থাকবে। আজ দেখুন ৩৭ তম বিসিএস এর সাজেশন এর প্রথ পর্ব।

৩৭ তম বিসিএস এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য নিশ্চিত ৬০ নম্বরের সাজেশন

*বৈশ্বিক ইতিহাস*
*কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাল:* ১২১৫ তে স্বাক্ষরিত হয় বৃটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল হিসেবে খ্যাত ম্যাগনাকার্টা *চর্তুদশ শতকে ইতালির ফ্লোরেন্স শহর থেকে রেঁনেসাঁ বা পূর্ণজাগরণ ঘটে। *১৬৮৮ সালে গৌরবময় ব্রিটিশ বিপ্লব হয় *১৬৮৯ সালে জনগণের/ নাগরিক অধিকারের দলিল হিসেবে বিল অব রাইট ব্রিটিশ সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় * ১৭৪০ সালে ইংল্যান্ড থেকে শিল্প বিপ্লবের যাত্রা শুরু হয়ে ১৮৫০ ইউরোপের জার্মানিতে শিল্প বিপ্লব চুড়ান্ত হয় *১৭৭৬ সালের ৪ই জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা ঘোষণা করে *১৭৮৯ সালের ১৪ ই জুলাই সাম্য-ভ্রাতৃত্ব স্বাধীনতার শ্লোগান নিয়ে ফরাসি বিপ্লব হয় ফ্রান্সে *১৯১৭ সালে রাশিয়াতে হয় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব /বলশেভিক বিপ্লব / রুশ বিপ্লব /কম্যুনিস্ট বিপ্লব /অক্টোবর বিপ্লব/ মার্কসবাদী বিপ্লব।

∗ ১৯৪৯ সালে চীনে হয় মাওবাদী সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব *১৯৫৯-৬০ কিউবাতে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব, ১৯৬৬ চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লব, ১৯৭৯তে ইরানে ইসলামী বিপ্লব, ১৯৮৭ তে ফিলিস্তিনে ইন্তিফাদা বিপ্লব, ১৯৮৯ সালে চেকোশ্লাভিয়াতে ভেলভেট রিভ্যুলুশন, ২০০৩ এ জর্জিয়াতে রোজ বিপ্লব, ২০০৫ সালে কিরগিজস্তানে টিউলিপ বিপ্লব, ২০০৫ সালে ইউক্রেনে অরেঞ্জ বিপ্লব, ২০১০ সালে তিউনিসিয়াতে জেসমিন বিপ্লব/আরব বসন্ত, ২০১০ মিশরে নীল বিপ্লব, ২০১৪ সালে হংকং এ ছাতা বিপ্লব হয়। * নানকিং চুক্তির মাধ্যমে ১৮৯৬ সালে ১০০ বছরের জন্য হংকং বৃটেনের হাতে চলে যায় এবং ১৯৯৭ সালের ১লা জুলাই চীনের হাতে চলে আসে *হংকং এ ২০৪৭ এবং ম্যাকাওতে ২০৪৯ পর্যন্ত একদেশ দুই নীতি চলবে *দুই ভিয়েতনাম একত্রিত হয় ১৯৭৬ সালে। *কিউবার ক্ষেপনাস্ত্র সংকট হয় ১৯৬২ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট নিকিতা ক্রুশ্ছেভ ও ইউ এস প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি’র মধ্যে।

*আন্তর্জাতিক পরিবেশ ইস্যু ও কূটনীতি*
♦ ১৮৯৬ সালে গ্রিনহাউস শব্দটি সর্বপ্র ম ব্যবহার করেন সুইডিস বিজ্ঞানী সোভনর্টে আরহেনিয়াস এবং ইকোলজি শব্দটি ব্যবহার করেন আর্নেস্ট হেইকেল। *সর্বপ্রথম মেরু প্রদেশে ওজনস্তরের ফাটল লক্ষ্য করেন জোনাথন শাকলিন এবং সর্বপ্রথম সবুজ বিপ্লবের সৃষ্টি করেন নরম্যান বেলেরগ। *গ্রিন কেমিস্টি পরিবেশ সহায়ক রাসায়নিক পদার্থ যাতে
পরিবেশের ক্ষতি হয় কম এবং গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট হচ্ছে কেনিয়ার নোবেল বিজয়ী  ওয়াংগেরি মাথেই এর বনায়ন কর্মসূচী। *গ্লোবাল জিরো হচ্ছে ২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বকে পরমাণূ অস্ত্রমুক্তকরণ কর্মসূচী। গ্রিনফান্ড হচ্ছে পরিবেশ দূর্যোগ মোকাবেলাতে গঠিত তহবিল *গ্রিনহাউস গ্যাস হচ্ছে কার্বন ডাই অক্সাইড-৪৯%, মিথেন-১৮%, সিএফসি-১৪%,
নাইট্রাস অক্সাইড-৬% ও অন্যান্য ১৩%। আর এই গ্যাসগুলোর গ্লোবাল ওর্য়ামিং ও ক্লাইমেট চেঞ্জের জন্য দায়ী। *বিগত ১০০ বছরের পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়েছে প্রায় .৭৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০২১ সালে তাপমাত্র বাড়তে পারে ১.১-৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস *গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে কার্বন মনো অক্সাইড সবচেয়ে ক্ষতিকর, গাড়ির কালো ধোঁয়া
থেকে এটি নির্গত হয়। *টু-স্ট্রোক বিশিষ্ট ইঞ্জিন ৪-স্ট্রোক বিশিষ্ট ইঞ্জিনের চেয়ে বেশি বায়ু দূষণ ঘটায় বলে ১লা জানুয়ারি ২০১৩ ঢাকা শহরে ২-স্ট্রোক ইঞ্জিন নিষিদ্ধ করা হয়। *বাংলাদেশে ৩টি পরিবেশ আদালত আছে: ১. ঢাকা ২.চট্টগ্রাম ৩.সিলেট। *২০০২ সালে সারা দেশ থেকে পলিথিন শপিংব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়। *জাতিসংঘের তথ্যমতে সমুদ্রের পানির উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে বাংলাদেশের মোট ১৭% ভুমি সমুদ্রগর্ভে বিলিন হবে। *বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ১৯৭০ সালের ১ভ নভেম্বর এবং ২৯ শে এপ্রিল ১৯৯১ এর প্রলংঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে এবং ১৫ই নভেম্বর ২০০৭ সিডর এ লক্ষ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। *সুনামি জাপানি শব্দ যার অর্থ সামুদ্রিক ভূমিকম্প। । *৭.৫ রিখটার স্কেল ভুমিকম্পের সাথে সুনামি হয়। *১৭৭৬ সালের ২ এপ্রিল বাংলাদেশে সর্বপ্র ম সুনামি হয়। *২০১১ তে জাপানের ফুকুসিমাতে সুনামির সাথে পারমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস হয়।* প্রতিরক্ষা মন্ত্রাণালয়ে ভু-উপগ্রহের মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র স্পারসো প্রাকৃতিক দূর্যোগের সিগন্যাল দেয়। *বাংলাদেশকে ৩টি ভুমিকম্পনীয় অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে এর মধ্যে ১ রিখটার স্কেলের ৭ মাত্রার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল।* সিডর অর্থ চোখ, আইলা অর্থ ডলফিন, নার্গিস
অর্থ ফুল এগুলো ভারত মহাসাগরের ঝড়। *রিটা, ক্যাটেরিনা, হ্যারি প্রভৃতি আমেরিকা অঞ্চলের ঝড়।
♦*১৯৭২ সালে প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘে। *১৯৯২ সালে প্রথম পরিবেশ নীতি ঘোষিত হয়। *বাংলাদেশে তিনটি পরিবেশ আদালত আছেত ১.সিলেট ২. ঢাকা ৩. চট্টগ্রাম। *১৯৭২ সালের ৫-১৬ই জুন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উদ্যোগে UN Conference on Human Environment অনুষ্ঠিত হয়। *এই সম্মেলন
থেকে United Nations Environment Program (UNEP) গঠন করা হয় এবং ৫ই জুন আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস হিসেবে বিশ্বের জন্য গৃহিত হয়। *এখান থেকেই ১৯৮৮ তে গঠন করা হয় Inter governmental Panel on Climate Change (IPCC). *৫ই জুন ১৯৯২ জৈব বৈচিত্র সংরক্ষণ কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৩ কার্যকর হয় *বিপদজ্জনক বর্জ্য সীমান্ত এলাকায় চলাচল নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বাসেল কনভেনশন ১৯৮৯এ গৃহিত ও ১৯৯৩
কার্যকর করা হয়
*1st Earth Summit 92: জাতিসংঘের উদ্যোগে ৩-১৪ই জুলাই ব্রাজিলের প্রধান শহর রিও ডি জেনিরিতে প্র ম ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জলবায়ু ও পরিবেশ রক্ষাই এটিই প্রথম কোন বিশ্বব্যাপী সম্মেলন। এই সম্মেলনে ৮০০ পৃষ্ঠাব্যাপী Agenda-21 নামক কার্যক্রম গৃহিত হয়।

*Earth Summit+5 97 New York: ২৩-২৭ জুন জাতিসংঘের উদ্যোগে নিউইর্য়কে অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে ধরিত্রী সম্মেলনের সকল কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং ৬১ টি দেশের সরকার প্রধান মিলে The Program for the Further Implementation of Agenda-27 গৃহিত হয়।

*2nd Earth Summit Johannesburg- 2002: সালের ২৬শে আগস্ট থেকে ৪ই সেপ্টেম্বর ২য় ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে পরিবেশের কোন ক্ষতি না করে উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়। এই সম্মেলনটিতে বিখ্যাত Agenda-5 গ্রহণ করা হয়.

*3rd Earth Summit : রিও ডি জেনিরিতে ২০১২ অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ব্রাজিলের মহিলা প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফ “দি ফিউচার ওয়ার্ল্ড উই ওয়ান্ট টু সি” নামক বক্তব্য পাঠ করে। জাতিসংঘের মাধ্যমে এই সবুজ অর্থনীতি গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। *১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়েটোতে স্বাক্ষর করে ২০০৫ সালে কার্যকর করা হয় কিয়েটো প্রটোকল, যার মাধ্যমে ২০১২ তে ৫.২% কার্বন ডাই অক্সাইড নি:সরণ কমানো সিদ্ধানত নেওয়া হয়।

* Montréal Protocle 1987: কানাডার প্রধান শহর মন্ট্রিলে ওজোন স্তর বিনষ্টকারী দূষিত রাসায়নিক পর্দাথের নি:সরণ কমানো জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ১৯৮৯ এ এই প্রটোকলটি কার্যকর করার পর প্রধাণত ৪ বার এবং সর্বমোট ৮ বার এই প্রটোকল সংশোধন করা হয় ।

*Kyoto Protocol 1997: ১৯৯৭: ১-১০ ডিসেম্বর জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়েটোতে উন্নত দেশগুলোর কার্বন নি:সরনের হার কমিয়ে আনার জন্য ২০১২ পর্যন্ত নির্দেশনা প্রদান করা হয়। ৫.২% করে কার্বন নি:সরণ কমাতে বলা হয়। কিন্তু ২০১২তে এসে দেখা যায় যে এর হার তো কমেইনি বরঞ্চ বহুগুন বেড়ে যাওয়াতে ২০১৩’র ১লা জানুয়ারি থেকে
নতুন মেয়াদে কার্বন নি:সরণ কমানোর জন্য মেয়াদ নির্ধারণ করতে বলা হয় ২১।

*Bio-Diversity Convention 92: এই কনভেনশনে ৩টি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়: ক. জীববৈচিত্র সংরক্ষণ খ.জীববৈচিত্রের সকল কিছুর টেকসই ব্যবহার গ.জেনেটিক সম্পদের ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রাপ্য লাভের সুষ্ঠু ও সম বিভাজন নিশ্চিত করা।

*Millennium Development Summit Newyork 2000: এই সম্মেলনে জাতিসংঘের নিউইর্য়কে ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক উনড়বয়নের জন্য উনড়বয়ন মডেল হিসেবে ৮ই সেপ্টেম্বর Millennium Development Goal এর মাধ্যমে উন্নয়নের ৮টি লক্ষ্যমাত্রা নিধারণ করা হয়। এর মেয়াদ ছিল ২০১২র ৩১ শে ডিসেম্বর। কিন্তু লক্ষ্য কিছুটা অপূর্ণ থাকায় ৩১
ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত এ সময়সীমা বর্ধিত করা হয়।

*World Summit on Sustainable Development Rio+10: এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা, ৪৭টি সুচক ও ১৭০টি সহযোগী লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এই সম্মেলন শুরু হয়।

* Bali Summit 07: IPCC উদ্যোগে ২০০৭ এ বন নিধন রোধের জন্য এই সম্মেলন ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে অনুষ্ঠিত হয় *২০১৫ সালে ইউরোপের দেশ ফ্রান্সের লি বুরগেট এ কপ-২১ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
*২০০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রলংকরী ভুমিকম্প আঘাত হানে হাইতিতে। *থাইল্যান্ডে প্রথম জাতীয় পর্যায়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সতর্কীকরণ কেন্দ্র চালু হয়। * জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন ৫ ই জুন ১৯৯২এ কার্যকর হয়। *২২শে মার্চ ১৯৮৯ সুইজারল্যান্ডের বাসেলে বাসেল কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়ে ৫ই মে ১৯৯২ এ কার্যকর হয়। *বিশ্বের সবচেয়ে
দূষিত বায়ুর দেশ পাকিস্তান। *গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট পারফরমেন্স ইনডেক্স’-২০১৪তে শীর্ষ দেশ সুইজারল্যান্ড ২য় লুক্সেমবার্গ; সর্বনিম্ন সোমালিয়া *বাতাসের কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমান .০৩% * প্রফেসর টি. মিডজলি আবিষ্কৃত ওজন স্তরের ফাটলের জন্য দায়ি সিএফসি/ক্লোরিন গ্যাস বাতাসে ৮০-১৭০ বছর পর্যন্ত সক্রিয় থাকে

* পরিবেশবাদি ফ্রিজ হচ্ছে সিএফসি বিহীন ফ্রিজ কারণ এই সিএফসি কার্বন ডাই অক্সাইডের তুলনায় ২০ হাজারগুন বেশি তাপ আটকে রাখতে পারে *গাঢ় নীল বর্ণের ওজন গ্যাস দিয়ে গড়া ওজনস্তরের ক্ষয় সর্ব প্র ম লক্ষ্য করেন বিজ্ঞানী জোনাথন শাকলিন *উদ্ভিদ ও প্রাণীর পরস্পর মিলেমিশে সম্মিলনকে বলা হয় ইকোটন *ইকোলজি কথাটি সবার পূর্বে ব্যবহার করে জার্মন বিজ্ঞানি আর্নেস্ট হেইকেল *ভ্যালি অব ডেথ বলা হয় ব্রাজিলের সবচেয়ে দূষিত শহর কুবাতাওকে *বর্জ থেকে বিদ্যুৎ তৈরির প্রক্রিয়াকে বলা হয় বায়ো-এশটিভা * সর্বপ্রথম পানি দূষণকে পরিবেশ সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন প্রাচীন গ্রিক পন্ডিত হিপক্রিটাস ও তাপ বৃদ্ধি জনীত পরিবেশ বিপর্যয়ের আভাস প্রদান করেন ফরাসি গণিত শাস্ত্রবিদ জোসেফ ফুরিয়ার *জীব জগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি গামা রশ্মি * জীবাশ্ম জ্বালানির ফলে বায়ুমন্ডলে কার্বনডাইঅক্সাইড গ্যাস বৃদ্ধি পাই *তাপ আটকে পড়ে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে গ্রিন হাউস ইফেক্ট বলে *গ্লোবাল
ওয়ার্মিং/গ্রিনহাউস ইফেক্টের কারণে তাপমাত্র বৃদ্ধি পেয়ে বরফগলে বাংলাদেশের নি¤ড়বভূমি নিমজ্জিত হবে *২-স্টোক বিশিষ্ট যানবহন ৪-স্টোকের চেয়ে বেশি বায়ু দূষণ করে ও ডিজেল ব্যবহারে বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইড বৃদ্ধি পাই; আর এই সালফার ডাই অক্সাইড এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী *পরিবেশ বান্ধব ফ্রিজে হিমায়ক হিসেবে ফ্রেয়ন ব্যবহার করা হয়ে থাকে *ঢাকা শহরের বাতাসে বিপজ্জনক পর্দা হিসেবে সিসা থাকে।

আমাদের পোষ্টগুলো ভালো লাগলে নিচের শেয়ার বাটন থেকে শেয়ার করুন।

বাকি পর্বগুলো ধারাবাহিকভাবে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গেই থাকুন

আমাদের সকল পোষ্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের শিক্ষামূলক গ্রূপে যোগ দিতে এখানে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
Total Care BD © 2016